এমন অসহায় অবস্থা থেকে আল্লাহ রব্বুল আলামীনের কাছে আশ্রয় চাই।

যখন আল্লাহ কাউকে ভালবাসেন তাকে অনেক
অর্থ-সম্পদ দিয়ে দেন না।
 তার প্রভাব প্রতিপত্তি ক্ষমতার মধ্যেও কোন প্রবৃদ্ধি ঘটে না।
 বরং তিনি যদি কাউকে ভালবাসেন তাকে নেক আমল করার তাউফিক দেন
। পুরো রমাদান মাসে যদি আপনি রোজা রাখতে পারেন, যদি রাত জেগে তাঁর ইবাদত করার সৌভাগ্য হয়, আপনি বিশ্বাস করতে পারেন যে সেই মহান রব আপনাকে অনেক ভালবাসেন।
তিনি আপনাকে পছন্দ করেন বলেই আপনি তাঁর দিকে দুহাত তুলে চাইতে পারেন, তিনি ভালবাসেন বলেই তাঁর নাম উচ্চারণের সৌভাগ্য আপনার হয়।


এর উল্টো দিকে, যখন তিনি কারো উপর রাগ হন,
তিনি কিন্তু তাকে অক্সিজেন দেওয়া বন্ধ করে দেন না। তার খাবার দাবারের যোগানও বন্ধ হয় না।
বরং হয়তো সে আগের চেয়ে আরও ভাল থাকার কিংবা খাওয়ার সুযোগ পায়।
কেউ তাঁর নাফরমানি করলে, তাকে তিনি সাথে সাথে শাস্তি দেন না; তার পায়ের নিচ থেকে জমিন সরে যায় না, মাথার উপর ছাদও ভেঙ্গে পড়ে না।

কিন্তু তিনি অসন্তুষ্ট হলে তার অন্তরে মরিচা পড়ে যায়।
ইবাদতে তার মন বসে না, নামাজ পড়তে তার আর ভাল লাগে না।
দ্বীনের কোন কথা শুনলে বিরক্তি আসে, তিলাওয়াতের সুরের চেয়ে গানের সুরই তার কাছে প্রিয় মনে হয়।
 তার সাধ জাগে না গভীর রাতে একাকী সিজদায় যেয়ে কাঁদতে। আফসোস তার হয় না, কেন সে ফজরে আর উঠতে পারে না।

সেই মানুষটি তো ভাবতে থাকে যে এসবই তার ইচ্ছাধীন বিষয়।
 সে নামাজ পড়তে চায় না বলেই পড়া হয় না।
তার তেমন ভাল লাগে না বলেই অন্যান্য আমলগুলোও সব সময় করা হয় না।
 কিন্তু প্রকৃত সত্য হল, তার গুনাহের কারণেই তার থেকে সেই ইবাদতের নিয়ামত ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। তার বদআমলের কারণেই সে আর পায় না আমলের সেই মিষ্টতা...

এমন অসহায় অবস্থা থেকে আল্লাহ রব্বুল আলামীনের কাছে আশ্রয় চাই।
-সংগৃহীত

নিজেকে প্রশ্ন করুন আল্লাহর সাথে আপনার সম্পর্ক কেমন? আপনার নামাজ কেমন? কুরআনের সাথে সম্পর্ক কেমন? আপনার দ্বীন কেমন? কারণ, যে দ্বীনের উপর আপনি জীবন যাপন করবেন, সেই দ্বীনের উপরই আপনার মৃত্যু হবে।

।দুনিয়াতে যেভাবে জীবন যাপন করবেন, মৃত্যুও সেভাবেই হবে।।

মুহাম্মাদ নাফি ।
একজন অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম কিছুদিন আগে ক্যান্সারে মারা যান। ক্যান্সার ধরা পড়ার আগে এই ভাইটি ছিল একেবারেই সুস্থ। চ্যারিটি, দাওয়া, মুসলিম কমিউনিটির যেকোনো প্রয়োজনে সে সবসময় একটিভ ছিল। ক্যান্সার ধরা পড়ার পর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার মধ্যে তার রবের জন্য, দ্বীনের জন্য, আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের জন্য যে প্রস্তুতি দেখা গেছে, তাতে আমরা নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি, আল্লাহ তাকে একটি উত্তম মৃত্যু দিয়েছেন। যখনই কেউ তার সাথে দেখা করতে যেত, সবসময় তার মুখে আল্লাহর প্রশংসা, সুন্দর হাসি, এমনকি মুসলিমদের জন্য সেই কঠিন সময়েও তার কত প্ল্যান, কত স্বপ্ন। রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে দ্বীনের উপর তুমি জীবন যাপন করবে, তোমার মৃত্যুও সেভাবেই হবে। আমরা ইয়াক্বিনের সাথে বিশ্বাস করি মুহাম্মাদ নাগি এমন এক সুন্দর দ্বীনের উপর জীবন যাপন করেছেন, আর আল্লাহ তাকে সেই দ্বীনের উপরই মৃত্যু দিয়েছেন।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কোন দ্বীনের উপর জীবন যাপন করছি?
 আমরা কীভাবে মৃত্যুবরণ করতে চাই?
 কোন অবস্থায় আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে চাই?
কখনো এটা ভাববেন না যে, যারা ক্যান্সার বা এমন পরীক্ষার সম্মুখীন হয় এটা তাঁদের জন্য একটা সৌভাগ্য—ভালো কিছু। না, মাঝে মাঝে এটা ঠিক তার বিপরীতও হতে পারে। ক্যান্সার মুহাম্মাদ নাফির জন্য ভালো হয়েছে কারণ সে এমন একটি জীবন অতিবাহিত করেছে যাতে আল্লাহ সন্তুষ্ট ছিলেন। সে সুখের সময় আল্লাহকে স্মরণ রেখেছে তাই আল্লাহ তার কঠিন সময়ে তাকে স্মরণ করেছেন—সুন্দর একটি মৃত্যু দিয়েছেন। আল্লাহ এজন্য তাকে সাহায্য করেননি যে, সে বিশেষ কেউ একজন, না। সে সহজ সময়ে কঠোর পরিশ্রম করেছে, যখন সাধারণত মানুষ আল্লাহকে ভুলে যায়, যখন সাধারণত মানুষের দ্বীনের জন্য, মসজিদের জন্য সময় থাকে না। সে আল্লাহকে সেই সময় স্মরণ করত, তাই আল্লাহ তাকে তার প্রয়োজনে মনে রেখেছেন। সঠিক সময়ে উত্তম মৃত্যু দিয়েছেন।

আমরা ভাবি, আমি তো মুসলিম, আলহামদুলিল্লাহ আমি নামাজ পড়ি, অবশ্যই আমি তাওহীদের উপর মৃত্যুবরণ করব। আপনি কীভাবে জানেন? কী প্রমাণ আছে যে তাওহীদের উপর মৃত্যুবরণ করবেন? আপনার চারপাশে এমন অনেকেই আছে, জন্মগতভাবেই মুসলিম, মুসলিম হিসেবেই বেড়ে উঠেছে, যাদের আল্লাহ ক্যান্সার দিয়েছিলেন, তবুও তারা আল্লাহর পথে ফিরে আসেনি।

এক ভাই একদিন আমাকে ফোন করে জানাল পঞ্চাশোর্ধ এক বৃদ্ধ মুসলিম যিনি কখনোই নামাজ পড়েনি, কখনো সিজদা পর্যন্ত দেয়নি, বৃদ্ধ লোকটি মৃত্যুশয্যায় শায়িত, হয়তোবা এটাই তার জীবনের শেষ মুহুর্ত—দয়া করে আপনি একটু আসুন। এমনকি সেই পরিবারের কেউ নামাজ পড়ত না। লোকটি বলল হয়ত আপনি গেলে ভালো হয়, কিছু উপদেশ দিতে পারেন। যাই হোক, আমি বললাম, ঠিকাছে আপনি বলে দিন আমি আগামীকাল আসব। কিন্তু কয়েক ঘন্টা পর সে লোকটি আমাকে ফোন দিয়ে জানাল আমি যেন না যাই। আমি বললাম, কেন নয়? কারণ, বৃদ্ধ লোকটি যখনই শুনল ধার্মিক কেউ আসবে তার সাথে দেখা করতে, সাথে সাথে নিষেধ করে দিল। এমনকি হাসপাতালে জানিয়ে দিল তার পরিবারের সদস্য ছাড়া কেউ যেন তার কাছে আসতে না পারে। তার দুদিন পর বৃদ্ধটি মারা গেল।

আমি বলছি না সে কুফরি অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে, তার যা হয়েছে সেটা তার আর আল্লাহর ব্যাপার। কিন্তু আপনি সেভাবেই মারা যাবেন, যেভাবে আপনি দুনিয়াতে বেঁচে ছিলেন। যে জীবন আপনি অতিবাহিত করেছেন, সেই জীবন নিয়েই আপনি মারা যাবেন।আপনারা আপনাদের জীবন নিয়ে এভাবে ভাবুন।

আমরা সবাই মুখে বুলি ছড়াই, আমি আল্লাহকে ভালোবাসি, আল্লাহর রাসূলের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত। আল্লাহর আপনার মুখের জবাবের দিকে খেয়াল করবেন না, আল্লাহর আপনার কাজ দেখতে চান। নিজের জীবনের দিকে তাকান। সত্যিই আল্লাহকে ভালোবাসেন? নামাজকে, মসজিদকে ভালোবাসেন? তাহলে দেখুন এগুলোর সাথে আপনার সম্পর্ক কি রকম। মুখে মুখে আপনি আল্লাহর ওলি! আপনি মনে করেন খুব ভালোভাবেই আল্লাহর পথে আছেন, অথচ আপনি শুধু জুমার নামাজে আসেন। এতটুকুই আপনার দ্বীন।

এক ভাই ফোন করে বললেন, আপনি কি জানেন জুমার খুতবা কখন? আমি বললাম, জি ভাই খুতবা শুরু সাড়ে বারোটায়। সে বলল, না ভাই, আমি জানতে চাচ্ছি আপনারা যে খুতবার পর নামাজ পড়েন তা কয়টায় শুরু হয়। আমি বললাম, খুতবা শুরু হয় সাড়ে বারোটায়, আপনাকে নামাজের জন্য সাড়ে বারোটায় পৌঁছাতে হবে। সে বলল, আমার খুতবা শোনার ইচ্ছা নাই, আমাকে শুধু নামাজের সময়টা বলুন। আমি এসে যেন দু'রাকাত নামাজ পড়েই চলে যেতে পারি।
এরকম দ্বীনের উপর আপনি থাকবেন, এই দ্বীনের উপরই আপনার মৃত্যু হবে।
আল্লাহকে ভালোবাসার কথা, কুরআনকে ভালোবাসার কথা আমরা সবাই দাবি করি। সত্যিই কুরআন ভালোবাসেন? কতটুকু কুরআন মুখস্ত করেছেন আপনি? কুরআনের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত, আসলেই? আসলেই কি আপনি কুরআনের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত? এখনও আমাদের বেশিরভাগ মানুষ সেই কয়টা সূরাই জানি যেগুলো ছোটবেলায় মুখস্ত করেছিলাম, আল্লাহই ভালো জানেন তাও পুরোপুরি পড়তে পারি কি না।২০ বছর, ৩০ বছর, এভাবে আপনার জীবন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে, অথচ আপনি একটা আয়াতও মুখস্ত করতে পারলেন না, অথচ আপনি সিনা টান করে বলতে থাকেন কুরআনকে কতটা ভালোবাসেন! আপনাকে, আমাকে, আমাদের সবাইকে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হবে। এই অবস্থায়ই দাঁড়াতে হবে।

এটা ভাববেন না যারা ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়, তারা একে ভালো পথে ব্যবহার করে। আমরা ভাবি, হ্যাঁ ভাই ক্যন্সার ভালো, এটা আপনাকে তাওবা করতে সময়, সুযোগ দেয়, যদি আমার ক্যান্সার হতো! আল্লাহু আকবর! কত বড় স্পর্ধা আমাদের। যখন কেউ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় সবাই আশ্চার্যান্বিত হয়, ভয় পেয়ে যায়। কিন্তু আল্লাহ কি আপনাকে বলেন নি যে, আপনি যেকোনো সময় মারা যেতে পারেন? আমাদের মাঝে অনেকের কোট-টাই পরিহিত আর সার্টিফিকেট পাওয়া ডাক্তারের কথায় যতটুকু বিশ্বাস আছে, ততটুকু বিশ্বাস রাসূল (সাঃ) এর হাদিসেও নেই। আপনি যখন হাদিস বা আয়াত পড়েন, মৃত্যু যেকোনো সময় আসবে, আপনি তখন আতঙ্কিত হন না, কিন্তু ডাক্তার যখন বলে, ভাই আপনাকে পরীক্ষা করে দেখলাম আপনি হয়তো আর সপ্তাহ দু এক বাঁচবেন, আপনার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে, দুই সপ্তাহ! এই কয়দিন আছে মাত্র? কিন্তু আপনি এরকম রিএকশান দেখাননি, যখন আল্লাহ বললেন যেকোনো সময় মৃত্যু আসবে!
আমাদের নিজেদের জিজ্ঞেস করা উচিত, আমরা কেমন দ্বীন পালন করছি, কারণ সেই দ্বীনের উপরই আমাদের মৃত্যু হবে। এবং আল্লাহ যেই অবস্থায় আপনার মৃত্যু দিবেন, আপনি মৃত্যুর সময় যে দ্বীন নিয়ে মারা যাবেন, আপনাকে যদি আরও এক মিলিয়ন বছর বাচতে দেওয়া হত, আপনি সেই আগের অবস্থায়ই থাকতেন, পরিবর্তন হতেন না। আমরা যখন দেখি কোনো বেনামাজজি মারা গেছে, সত্যি তার হয়ত নামাজ পড়ার ইচ্ছে ছিল, সে হয়তো নামাজ পড়তে চেয়েছিল। কিন্তু তার মৃত্যু হয়েছে বেনামাজি অবস্থায়, কারণ বেঁচে থাকা অবস্থায় সে কখনো নামাজী ছিল না। এভাবেই আমাদের সবার মৃত্যু হবে, যেভাবে আমরা দুনিয়াতে বাঁচব, যে পথে চলব।
এই শাইখ বলেন, এক পরিবার তাকে ডেকেছে মৃত্যুশয্যায় এক বৃদ্ধ ব্যক্তিকে দেখার জন্য। শাইখ বললেন, আমি তাঁদের বাড়ি গেলাম, গাড়ি পার্কিং করে যাওয়ার সময় শুনলাম পুরো বাড়িতে উচ্চস্বরে গান বাজছে। তিনি বললেন, আমি আমার কানকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। তারা অন্তত কুরআন তিলাওয়াত বা অন্যকিছু ছেড়ে দিতে পারত। তাঁদের পিতা মারা যাচ্ছে অথচ সেখানে উচ্চস্বরে গান বাজছে। আমি যখন গেলাম তখন অস্বস্তি দূর করার জন্য তারা গান বন্ধ করে কুরআন তিলাওয়াত ছেড়ে দিল। কিন্তু জানেন এরপর কি হলো? তাঁদের পিতা বিছানায় মৃত্যুশয্যা থেকে বলে উঠল, বন্ধ করো এটা, গান ছেড়ে দাও, তা আমার হৃদয়ে প্রশান্তি দেয়। এভাবেই মৃত্যু হবে, যেভাবে আপনি বেঁচে থাকবেন, সেভাবেই আপনি মারা যাবেন।

অন্যদের না দেখে নিজেকে দেখুন। আর কত সময় আপনাকে এসব শুনতে হবে? কত জানাযায় উপস্থিত হতে হবে? আমরা সবাই-ই মুসলিম, কিন্তু কেমন মুসলিম? কোনো পর্যায়ের মুসলিম? আজকে আপনার সন্তান যদি অসুস্থ হয়ে যায়, আপনি মুখে না বললেও ভেতরে ঠিকই ভাবেন যে, আল্লাহ কেন আমার সাথে এমন করল, আমি তো নামাজ পড়ি, দান করি, যাকাত দিই! কিন্তু ঐ লোক নামাজ পড়ে না, অথচ তার সন্তানেরা সুখে আছে। আপনি কি এরকম হৃদয় নিয়ে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে চান?
আমাদের পরিবরর্তন জরুরী। মুহাম্মাদ নাগির জন্য আমার হিংসা হচ্ছে, কারণ এরকম খুব কমই আছে যারা উত্তমভাবে মৃত্যুবরণ করে। আমার হিংসা হচ্ছে, কারণ আমি জানি না কীভাবে আমি মারা যাবো।
আমরা আল্লাহকে একের পর এক কথা দিই। রামাদান আসে রামাদান যায়, হজ্জ আসে হজ্জ যায়, কত মানুষ মারা যায়, কত চুক্তি শেষ হয়, অথচ প্রত্যেকবার আমরা অজুহাত দেখাই আল্লাহর কাছে। তিনি আমাদের রব, যিনি প্রতিটা সময় আমাদের অপেক্ষায় থাকেন, কবে আমরা তার কাছে তাওবা করব, কবে আমরা ইয়া রব বলে ডাক দিব। আর আমরা অপেক্ষায় থাকি, সবকিছু একটু গুছিয়ে উঠেই আল্লাহকে সময় দিব, পরিবার, সন্তান, ব্যবসা সব সেটেল হয়ে গেলে ভালো হয়ে যাব। কিন্তু তার আগেই হয়তো আল্লাহর কাছে আমাদের হাজিরা দেওয়ার সময় চলে আসে।
তাই নিজেকে প্রশ্ন করুন আল্লাহর সাথে আপনার সম্পর্ক কেমন? আপনার নামাজ কেমন? কুরআনের সাথে সম্পর্ক কেমন? আপনার দ্বীন কেমন? কারণ, যে দ্বীনের উপর আপনি জীবন যাপন করবেন, সেই দ্বীনের উপরই আপনার মৃত্যু হবে।
.
বই: এপিটাফ
মূল: Mohammad Hoblos
অবলম্বনে লেখা: সাজিদ ইসলাম